ঢাকাশুক্রবার , ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. ক্যাম্পাস
  11. ক্রিকেট
  12. খুলনা
  13. খেলাধুলা
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরি
 

আজকের সর্বশেষ সবখবর

নারায়ণগঞ্জে খেয়াঘাটের ট্রলার বন্ধের আশঙ্কা!

NJ
এপ্রিল ১৭, ২০২৬ ১২:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় খেয়াঘাটে ‘ডিজেল সংকটের কারণে’ ট্রলার চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইজারাদার দিদার খন্দকার।

তার ভাষ্যমতে, তাদের কাছে যে পরিমাণ ডিজেল মজুদ আছে তাতে শুক্রবার পর্যন্ত ট্রলার চালানো সম্ভব। এই সময়ের মধ্যে নতুন মজুদ না পেলে যাত্রী পারাপার ব্যাহত হবে।

এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও সংবাদ কর্মীদের কাছে পাঠিয়েছেন ইজারাদার। তাতে তিনি লিখেছেন, “ডিজেলের অভাবে সেন্ট্রাল ফেরিঘাটে ট্রলার চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যতটুকু ডিজেল আছে আজ (শুক্রবার) রাত পর্যন্ত চলবে। আগামীকাল (শনিবার) সকাল থেকে ডিজেলের অভাবে ট্রলারে যাত্রীদের নদী পারাপার বন্ধ হয়ে যাবে। বন্দর সেন্ট্রাল ফেরিঘাটে হয়তো ট্রলার চলবে না।”

বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় খেয়াঘাট দিয়ে সদর ও বন্দরের যাত্রীরা নিয়মিত পারাপার হন। ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের পাশাপাশি নৌকা দিয়েও এ ঘাট পার হন লোকজন। ট্রলারে জনপ্রতি দুই টাকা এবং নৌকায় জনপ্রতি ১০ টাকা দিয়ে পার হন তারা।

দিদার খন্দকার বলছেন, টোল সংগ্রহের হিসাবে দৈনিক এ ঘাট দিয়ে অন্তত ৩০ হাজার যাত্রী কেবল ট্রলার দিয়েই পারাপার হন।

ঘাটটি প্রতি বছর ইজারা দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বর্তমানে ঘাটটির ইজারাদার দিদার খন্দকার। এর আগেও তিনি এ ঘাটটির ইজারা পেয়ে পরিচালনা করেছেন।

তিনি বলেন, “এতদিন পর্যন্ত যে জাহাজ থেকে তেল নিতাম তা গত একমাস ধরে বন্ধ আছে। কোথাও তেল পাচ্ছি না। গত কয়েকদিন ১২২ থেকে ১৩০ টাকায় ডিজেল কিনেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে তেলের খুবই সংকট। আজও দুইটা পাম্পে যোগাযোগ করলাম, সেখান থেকে ৫০ লিটার তেল পাইছি, যা আগামীকাল দুপুর পর্যন্ত চলবে।”

এ ঘাটে সাতটি ট্রলার সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত টানা যাত্রী পারাপার করে বলেও জানান দিদার।

এদিকে, ট্রলার না চললে হাজারো যাত্রী ভোগান্তির মুখে পড়বেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বন্দরের আমিন আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আব্দুল বাতেন।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এ চাকরিজীবী বলেন, “এ ঘাট দিয়ে কয়েক হাজার মানুষ ঘণ্টায় পারাপার হয়।

অধিকাংশই কর্মজীবী, খেটে-খাওয়া শ্রমিক। তারা দুই টাকা দিয়ে ট্রলারে পার হয়। ১০ টাকায় নৌকা দিয়ে পারাপারে খরচ যেমন বাড়বে তেমনি অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে দুর্ঘটনারও শঙ্কা আছে।”

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, “এ ব্যাপারে ইজারাদার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কিছু বলেননি। উনি বিআইডব্লিউটিএ-কেও বিষয়টি জানালে যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে তারাই ব্যবস্থা করবেন। তারপরও বিষয়টি আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।”

ট্রলার চলাচলে ডিজেল সংকটের বিষয়টি ইজারাদার দিদার খন্দকার বিআইডব্লিউটিএ-কে অবগত করেননি বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, “আমাকে অবগত করা হয়নি এখনো। ডিজেলের তো সংকট ওইভাবে নেই। তারপরও প্রয়োজনে এ বিষয়ে আমরা প্রশাসন ও পাম্পে চিঠি দেব, সুপারিশ করব। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আমরা বিকল্প ব্যবস্থা করব।”

জানতে চাইলে দিদার খন্দকার বলেন, ছুটির দিন হওয়াতে তিনি প্রশাসন ও নদী বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাতে পারেননি। তবে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেছেন এবং আশ্বাস পেয়েছেন বলেও জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।